img

জুনাইদ হোসেন জুয়েল , বরগুনা :

চলমান নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহন করেন নি। হয়ত এটা তাদের কৌশল অথবা দেউলিয়াত্বতা।সেটা যাই হোক তারা অংশগ্রহন করেনি এটাই সত্য।সরকারি দল নির্বাচনকে জমঝমাট করার জন্য সকলকে সমান সুযোগ দিয়ে নির্বাচন উম্মুক্ত করে দিয়েছে অর্থাৎ যে কেউ নির্বাচন করতে পারবে তাতে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গ করার দায় নিতে হবে না।সুতারাং বিদ্রোহ। আর সে কারনে নির্বাচনী মাঠে আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষ এখন আওয়ামীলীগ।কেউ কারও চেয়ে কম না। তাই বলে কেহ ভাববেন না বিএনপি বা জামাত বসে বসে আঙ্গুল চুষছে। তারাও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। তবে সেটা ধানের শীষ নয়। ভিন্ন প্রতিকে। বিদ্রোহী প্রর্থীকে উসকে দিয়ে তার সাথে ছায়ার মত লেগে আছে।যত দুর্ঘটনা যত অপ্রীতিকর ঘটনা সব তাদের সৃষ্টি। অর্থাৎ তারা এখন ভাইকে দিয়ে ভাই পেটায়।এটাও ভাববেন না যে তারা কেন্দ্রে যাবে ভোট দিতে।ভোট তারা দিতে যাবে না। সেখানেও তাদের হিসাব আছে। ভোট বর্জন করে তারা প্রমান করতে চাইবে জনগন এই নির্বাচন বয়কট করেছে। বিএনপি জামাতকে এমন মোক্ষম সুযোগ তৈরী করে দিয়েছেন স্বয়ং আওয়ামীলীগ। কেননা তারা যদি নির্বাচন ওপেন করে দিবে তবে দলীয় প্রতিক দেয়ার কি দরকার ছিল?আবার যদি প্রতিক দিবে তবে বিদ্রোহদের আশকারা দেবার কি প্রয়োজন ছিল? বিদ্রোহীদের কারনে দলের মধ্যে একটা তলছা ভাব লক্ষ্য করা গেছে।যাহা আওয়ামীলীগকে চীরস্হায়ী ক্ষতিগ্রস্হ করার আশংকা আছে। 
তবে আমি একজন আওয়ামীলীগার হিসেবে সকল আওয়ামী প্রেমীদের বলব ৩১ মার্চ এর পর হয়ত নির্বাচন থাকবে না।থেকে যাবে আপনার কর্মের নথিপত্র যা দেখে আপনাকে সহজেই চিন্হিত করা যাবে আপনি মুজিবের সৈনিক নাকি দলছুট বেঈমান মোস্তাক।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ