img

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টার ঘটনার পর পরই ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। 

যাত্রীদের কয়েক ধাপে তল্লাশি করা হচ্ছে। যাত্রী ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য। বিজিবির ডগ স্কোয়াড টিমসহ র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএনের অতিরিক্ত বিশেষ নিরাপত্তা টিম নিয়োগ করা হয়েছে।

এ দিকে বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় ত্রুটি পায়নি: বিমান প্রতিমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আয়োজনে কোনো ত্রুটি পাননি বলে দাবি করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। তিনি বলেন, এখানে এমন কোনো লিকেজ ছিল না বা এখনও নেই যে, একজন যাত্রী এভাবে বিমানে যেতে পারে। তাহলে কী করে পিস্তল নিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা অতিক্রম করে বিমানে চড়ল একজন অপরাধী- এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। আসল ঘটনা জানতে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের অপেক্ষায় থাকার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

সোমবার ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা পুরো বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করেছি। সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলে দেখলাম তিনি ঘটনাটি জানেন। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পুরো বিষয়টি মনিটর করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিমান সচিব মহীবুল হক বলেন, আমরা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেছি, অন্য ১০টা যাত্রীর মতো তাকেও (বিমান ছিনতাইকারী) তল্লাশি করা হয়েছিল। তার কাঁধে একটা ব্যাগ ছিল। সেটা স্ক্যান করা হয়েছিল, কিন্তু সেখানে কিছু দেখা যায়নি। তাহলে অস্ত্রটা ভেতরে গেল কীভাবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা অস্ত্র কিনা আমরা ওয়াকিবহাল নই। তদন্ত প্রতিবেদনের পর এটি নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ