img

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্দোষ হয়েও জাহালমকে যে তিন বছর কারাভোগ করতে হয়েছে, এ ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নাটক পরিচালকদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ডের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দুদক এরই মধ্যে তাদের ভুল স্বীকার করেছে। একই সঙ্গে তারা এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করে তদন্ত করছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই প্রাইভেট টিভি চ্যানেল হয়েছে। দেশে এখন ব্যাপকভাবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিকাশ ঘটেছে। পাশাপাশি নাটক নির্মাণেও বেশ উন্নতি হয়েছে। নাট্য নির্মাতারা অত্যন্ত মানসম্পন্ন। একসময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের নাট্যকারদের নাটক বেশ জনপ্রিয় ছিল। কারণ আমাদের নাট্যকারদের মান ভালো। সে দেশের মানুষ বসে থাকত আমাদের দেশের নাটক দেখার জন্য। অনেক চ্যানেল হওয়ায় দর্শকদের অসুবিধা যেমন রয়েছে, তেমনি সুবিধাও রয়েছে। দেশের নাটকগুলোর মান আরও উন্নত করার জন্য কাজ করতে হবে। নাটকের মান রক্ষা ও উন্নত করা অন্যতম বিষয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বিজ্ঞাপন বানিয়ে বাংলাদেশে চালানো হয়। এতে দেশের কলাকুশলীরা সুযোগ পাচ্ছেন না। অথচ আমাদের শিল্পীরা অনেক মেধাবী ও স্মার্ট। বিদেশি চ্যানেলগুলোতে অন্য দেশের বিজ্ঞাপন চালাতে তাদের সে দেশের অনুমতি নিতে হয় অথবা ট্যাক্স দিতে হয়। 

তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালেও এ-সংক্রান্ত আইন করা হয়েছে। সেটি অনেকেই অনুসরণ করেন না। এরই মধ্যে এ আইন ব্যবহারে সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিরেক্টরস গিল্ডের পক্ষে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাউদ্দিন লাভলু প্রমুখ।

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা খোলে সমাজের তৃতীয় নয়ন: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সঠিক পথে এগোতে সাহায্য করে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

মঙ্গলবার রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে 'সাংবাদিকতার নীতিমালা, নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনা' প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, ভুল সংবাদে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনে বাধাগ্রস্ত হলে উভয় ক্ষেত্রেই প্রেস কাউন্সিলের সহায়তা নেওয়া যায়। এজন্য প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করবে সরকার। 

প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্যসচিব আবদুল মালেক, প্রেস কাউন্সিল সচিব মো. শাহ আলম ও ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী সভায় বক্তব্য রাখেন।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ