img

 ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে লোহার খনির বাঁধ ধসের ঘটনায় উদ্ধার অভিযানের সপ্তাহের বেশি সময় পেরুলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন দুইশ মানুষ। আর নিখোঁজরা কেউই বেঁচে নেই বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। যদিও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

দেশটির মিনাস জিরাইস রাজ্যের ব্রুমাদিনহোর বেলো হরিজনতো শহরে বিস্ফোরণ থেকে ‘মিনা ফিইজো’ খনিতে ২৫ জানুয়ারি (শুক্রবার) স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় বাঁধ ধসের ওই ঘটনা ঘটে। খনিটি বেলো হরিজনতো থেকে ৪০ মাইল দক্ষিণ পশ্চিমে।

প্রাথমিক অল্প সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির খবর এলেও ঘটনার সপ্তাহ ব্যবধানে তা তিনশ ছাড়ানোর খবর জানান তদন্তকারীরা। আর নিহতরা প্রায় সবাই ওই খনির শ্রমিক বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম।

ভ্যালি কোম্পানির মালিকানাধীন এই খনি ধসের ঘটনায় এরইমধ্যে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনই কোম্পানিটির কর্মকর্তা, যারা পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন।

উদ্ধার কাজে থাকা ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, নিখোঁজ থাকা সবাইকে শনাক্ত করা এবং তাদের উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব কাজ।

তিনি বলেন, কাদা পানিতে চাপা পড়ে হয়তো তাদের শরীরে পচন ধরেছে, তাই হয়তো সবাইকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে না। তবে সে সময় আসার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত, যদি আমাদের এখানে চার, পাঁচ এমনকি ছয় মাসও কাজ করতে হয়, আমরা তা নিরলসভাবে করে যাবো।

তিন বছর আগে একই অঞ্চলে এ ধরনের অপর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ওই বাঁধের মালিকানায় ভ্যালি’র সঙ্গে যৌথভাবে ছিল বিএইচপি বিলিটন নামে একটি কোম্পানি।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ